বন্দর সংবাদদাতা
বন্দরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট অতিরিক্ত লোড শেডিং চরম আকার ধারণ করেছে। দিনে ৫ থেকে ৬ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকেনা বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগি এলাকাবাসী। বিদ্যুৎতের লোড শেডিংয়ে কারণে কলকারখানায় উৎপাদন ব্যাহতসহ দৈনন্দিন কাজ কর্মে ব্যাঘাত ঘটছে। অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। এলাকাবাসী জানায়, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের বন্দরের ৯টি ওয়ার্ড ও বন্দর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্বে রয়েছে নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বন্দর জোনাল অফিস। পল্লী বিদ্যুৎ দায়িত্ব নেয়ার পর কিছুদিন ভালো সার্ভিস দিলেও বর্তমানে সেবার মান নি¤œপর্যায়ে নেমে গেছে। দৈনিক ১০ থেকে ১২ বার বিদ্যুৎ আসা যাওয়ার মধ্যে থাকে। এতে পড়াশনাসহ বিভিন্ন কাজ কর্মে বিঘœ ঘটছে। রোববার (২৬ ফেব্রæয়ারি) কোন পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই প্রায় ৭ ঘন্টা বিদ্যুৎ ছিল না। এ ছাড়া এখানে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ বার বিদ্যুৎ আসা যাওয়া করে। এতে করে এক দিকে যেমন কাজ কর্মে বিঘœ ঘটছে অপর দিকে ব্যাহত হচ্ছে কলকারখানার উৎপাদন। বিশেষ করে নবীগঞ্জ জোনের আওতাধীন এলাকার অবস্থা আরো খারাপ। দিনে এবং রাতের বেশির ভাগ সময় এখানে বিদ্যুৎ থাকে না। অতি মাত্রায় লোডশেডিংয়ের জন্য অথি লোভী এজিএম আব্দুল মজিদকে দায়ী করেছেন গ্রাহকরা। তারা আরো জানান, টাকার বিনিময়ে তিনি আবাসিক গ্রাহকদের লোডশেডিংয়ে রেখে শিল্প কারখানায় বিদ্যুৎ দিচ্ছেন। এছাড়া কলকারখানায় নতুন সংযোগ দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন অতিরিক্ত টাকা। এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুতের নবীগঞ্জ জোনের এজিএম আব্দুল জমিদ জানান, বন্দরে মদনপুর মদনগঞ্জ সড়ক সংস্কার ও স¤প্রসারণের কাজ চলছে। বিদ্যুতের খুঁটি স্থানান্তর করার কারণে দিনের বেশির সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হচ্ছে।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।